আর্টিকেল অন পেজ অপটিমাইজেশন (Article On Page SEO) কিভাবে করবেন?

article on page seo

আজকে যা শিখতে পারব

১।  কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে হয়

২। কিভাবে ব্লগ বা আর্টিকেল অপটিমাইজড করতে হবে

৩। কিভাবে আর্টিকেল বা কিওয়ার্ড   টি র‍্যাংকিং এ নিয়ে আসতে হবে 

আপনি আমাদের ইটিউব ভিডিও দেখেও অন-পেজ অপ্টিমাইজেশন শিখতে পারবেন!

কিভাবে আর্টিকেল অপটিমাইজ করবেন

ব্লগ আর্টিকেল অপটিমাইজ করার জন্য অনেকগুলো অ্যাডভান্স লেভেলের এসইও ট্রিক্স আছে যেগুলো মধ্যে সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট গুলো হল

  1. কীওয়ার্ডস  সিলেকশন

কীওয়ার্ডস সিলেকশনের সময় অবশ্যই লোকেশন বেজড কিওয়ার্ড সিলেক্ট করতে হব।

দুই ধরনের কিওয়ার্ডসিলেক্ট করতে হবে

 একটি প্রাইমারি  কিওয়ার্ড

 দ্বিতীয় টি সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড

 প্রাইমারি  কিওয়ার্ড অবশ্যই একটি হবে  আর সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড তিনটি অথবা চারটি হতে পারে ছোট ব্লগপোস্টে ক্ষেত্রে  দুটি সেকেন্ডারি কীওয়ার্ডও  হতে পারে।

প্রাইমারি কিওয়ার্ড এবং সেকেন্ডারী টি ওয়ার্ডের মধ্যে ডাইরেক্ট রিলেশন থাকতে হবে যাতে একটি কিওয়ার্ড অপর কিওয়ার্ড কে রিপ্রেজেন্ট করে।

 কীওয়ার্ডস  সিলেকশন এর সময় কিছু টিপস আপনাদেরকে  শেয়ার করি-

 যেমন

– সব সময় চেষ্টা করবেন লো  ডিফিকাল্টি কিওয়ার্ড সিলেক্ট করার

-লং টেইল কিওয়ার্ড হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট চয়েজ- কারণ লং টেইল কীওয়ার্ড  খুব কম সময়ের মধ্যে সার্চ রেজাল্ট প্রথম দিকে  নিয়ে আসা সম্ভব।

-সব সময় চেষ্টা করবেন লোকেশন বেজড  কিওয়ার্ড অথা লোকাল এসইও কিওয়ার্ড সিলেক্ট করার জন্য।

-কিওয়ার্ড ডেনসিটি গাইডলাইন  অনুসরণ না করা,  কারণ কিওয়ার্ড ডেনসিটি গাইডলাইন বলে কোন   গাইডলাইন সার্চ ইঞ্জিনে নেই তবে হ্যাঁ ন্যাচারালি কিওয়ার্ড ইনপুট করতে পারেন , এটি গুগোল অনেক ভালো চোখে দেখে। 

  1. টাইটেল অপটিমাইজেশন

টাইটেল অপটিমাইজেশনের সময়ে  যে বিষয়গুলো  অবশ্যই অবশ্যই মনে  রাখতে হবে

-টাইটেলটি এমন হতে হবে জেটি পুরো ব্লগ পোস্ট কে রিপ্রেজেন্ট করে

-টাইটেল এর মধ্যে কীওয়ার্ড  অন্তর্ভুক্ত  করতে হবে

-টাইটেল টি ছোট হতে হবে যাতে গুগল সার্চ রেজাল্ট সম্পূর্ণ  টাইটেল দেখা  যাই

-আপনার আর্টিকেল টাইটেল কি অবশ্যই ইউনিক হতে হবে – যাতে টাইটেল ধরে  সার্চ 

রেজাল্টে সার্চ দিলে আপনার ওয়েবসাইটটি সর্ব প্রথম দিকে দেখায়। 

-সো এমন টাইটেল সিলেক্ট করতে হবে যেটি আপনার আর্টিকেল কেউ রিপ্রেজেন্ট করে টাইটেল টিও   ইউনিক হয়,  টাইটেল এর মধ্যে  কিওয়ার্ডও রাখা যায় , 

– 

  1. প্যারাগ্রাফ অপটিমাইজেশন

প্রথম প্যারাগ্রাফ ভালোভাবে অপটিমাইজ করতে হবে চেষ্টা করতে হবে মেইন কি ওয়ার্ড এখানে ইনক্লুড করার। 

সবগুলো প্যারাগ্রাফ এই যদি সম্ভব হয় ন্যাচারালি প্রাইমারি কিওয়ার্ড এবং সেকেন্ডারী   কিওয়ার্ড  ইনক্লুড করতে হবে।তবে মনে রাখতে হবে প্যারাগ্রাফ অপটিমাইজেশনের সময় কিওয়ার্ড ডেনসিটি গাইডলাইন ফলো করা যাবেনা কারণ কিওয়ার্ড ডেনসিটি গাইডলাইন বলে গুগোল এ কোন ইনস্ট্রাকশন দেওয়া নেই।  

এটি বিভিন্ন এসইও কোম্পানি ও এক্সপার্টদের একটি গাইডলাইন।

গুগলের শুধু বলা আছে  যেকোনো  কিওয়ার্ড ন্যাচারালি প্যারাগ্রাফ  অথবা হেডিং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

গুগোল রেংকিং কে   ইনফ্লুয়েন্স করার জন্য কোন  কিওয়ার্ড  কে আর্টিকেল এর মধ্যে  বারংবার ব্যবহার করা যাবে না। 

  1. হেডিং অপটিমাইজেশন

H2, H3 , H4 হেডিং  গুলো সিরিয়ালি ইনক্লুড করতে হবে যেমন H2  হেডিং এর আন্ডারে H3 হেডিং ইনক্লুড করতে হবে আবার H3  হেডিং এর আন্ডারে H4   হেডিং ইনক্লুড করতে হবে।

H2  হেডিংটা আর্টিকেল রেংকিং  এর ক্ষেত্রে  অনেক বড় ভূমিকা রাখে সেজন্য h2 হেডিং এর মধ্যে প্রাইমারি কী ওয়ার্ড এবং সেকেন্ডারি কিওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করতে হবে।

অনেক সময় দেখা যায় আপনার আর্টিকেলের h1 টাইটেল টি র‍্যাংক করার সাথে সাথে H2 টাইটেল টিও  র‍্যাংক করেছে। এর মানে হলো h2 টাইটেল ধরে  সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিলে আপনার ওয়েবসাইটটি প্রথমদিকে দেখাতে পারে এইজন্য  র্যাঙ্কিংয়ের জন্য h2 টাইটেল এর গুরুত্বও  কম নয়। 

এই জন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করব h2 h3 এবং   H4 হেডিং এ  মেইন কি ওয়ার্ড এবং প্রাইমারি কিওয়ার্ডগুলো অন্তর্ভুক্ত করা।

  1. ইমেজ অপটিমাইজেশন

 আর্টিকেলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্ট  ইমেজ  অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে যেকোনো ইমেজকে স্পেসিফিক করে দেয়া হয় যে এই ইমেজটি এই আর্টিকেলের  কিওয়ার্ড এর সঙ্গে রিলেটেড। 

 ইমেজ  অপটিমাইজেশনর জন্য যে কয়েকটি বিষয়ে আমাদের মনে রাখা উচিত-

  • কোয়ালিটি ইমেজ
  •  হাই রেজুলেশন ইমেজ
  • যে ফাইল থেকে ইমেজটি নিবেন সে ফাইল নেম আর্টিকেল এর কীওয়ার্ড রিলেটেড  হতে হবে যাতে গুগল সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে এই ইমেজটি এই ব্লগ পোস্টের সাথে সম্পর্কিত ।

 ব্লগ পোষ্টের জন্য ইমেজ সাইজ সাধারণত  50 কিলোবাইট থেকে 80 কিলোবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।

তারপরেও ভালোভাবে ব্লগ পোস্টের  ইমেজ সাইজ বুঝার জন্য এই পিকচারটা খেয়াল করুন।

ইমেজ সাইজ এটি সাধারণত

  1. কনটেন্ট কোয়ালিটি

সার্চ ইঞ্জিনের রেংকিং এর সব থেকে বড় একটি ফ্যাক্টর হল কনটেন্ট কোয়ালিটি। অনেক আর্টিকেল আছে এসইওর মেজরিটি ফ্যাক্টর মেইনটেইন করে না তারপরেও শুধুমাত্র কনটেন্ট কোয়ালিটির জন্য তাদের আর্টিকেলগুলো র‍্যাংক করে আছে। 

কনটেন্ট কোয়ালিটি ইনসিওর করতে পারলে শর্ট টাইম এর মধ্যে রেংকিং এ আসা যায় এবং লং টাইম পর্যন্ত র্যাংকিং পসিশন ধরে রাখা যায়।

কনটেন্ট কোয়ালিটি নিশ্চিত করার জন্য কিছু টিপস আপনাদেরকে শেয়ার করি-

– কীওয়ার্ড রিলেটেড কনটেন্ট লেখার ট্রাই করতে হবে ,কনটেন্ট এর মধ্যে অপ্রাসঙ্গিক বাক্য পরিহার করার ট্রাই করতে হবে  কারণ ইউজার রা সব সময়  প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে পেতে চাই।

–  গবেষণামূলক তথ্য এবং রেফারেন্স লিংক অ্যাড করতে হবে,  যাতে ভিজিটররা গবেষণামূলক তথ্যগুলো বিশ্বাস করতে পারে।

– ইমেজ ব্যবহার করতে হবে যাতে ভিজিটররা আর্টিকেল পড়তে পড়তে  একঘেয়েমিতে  না পড়ে যায়।

– ইমেজ এরমধ্যে ইনস্ট্রাকশনাল তথ্য ব্যবহার করতে হবে  যাতে শুধু ইমেজ  দেখেই  ভিজিটররা  মেইন কনসেপ্ট ক্লিয়ার করতে পারে।

– গুগলের কনটেন্ট কোয়ালিটি গাইডলাইন মেন্টেন করতে হবে যেমন   কপি   কনটেন্ট ব্যবহার না করা,  ডাটা স্ক্রাপ না করা,  আর্টিকেল স্পিনিং টুলস অথবা অটোমেটেড আর্টিকেল রাইটিং টুলস ব্যবহার না করা,  ভিজিটরকে  রিডাইরেক্ট  করতে জোড় না করা, ভুল ইনফরমেশন  না দেওয়া  এবং অন্যান্য এসইও গাইড লাইন মেনে চলা। 

  1. ইন্টার্নাল  লিংকিং

আপনার এই ওয়েবসাইটে কিওয়ার্ডের সাথে রিলেটেড কোন আর্টিকেল যদি পূর্বে লেখা থাকে তাহলে সেই লিংকটি এই   কনটেন্টের মধ্যে অ্যাড করতে হবে।

 গুগোল রেংকিং এর ক্ষেত্রে ইন্টারনাল লিংকিং এসইওর অনেক বড় একটি ফ্যাক্টর।  সঠিকভাবে  ইন্টারনাল লিংকিং করা থাকলে দ্রুত রেংকিং এ আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

 তবে মনে রাখতে হবে ইন্টার্নাল লিংকিং  শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক  ব্লগ   পোষ্টের সাথেই করতে হবে এবং সঠিক  অ্যাংকর টেক্সট ব্যবহার করতে হবে।

ইন্টার্নাল লিংকিং এর জন্য গুগোল একটি গাইডলাইন দেওয়া আছে আপনার ইচ্ছা করলে এটি পড়ে নিতে পারেন।

এবার আসুন সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রিকস যা  গুগোল র্যাংকিংয়ে অনেক বড় ভূমিকা রাখে সেটি হলো নিয়মিত ব্লগ পোস্ট আপডেট করা।

 যে কোন  নতুন তথ্য অ্যাড অথবা রিমুভ করা,   অপ্রাসঙ্গিক কোন তথ্য ডিলিট করা,  গুরুত্বপূর্ণ কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়া, যেমন গবেষণামূলক কোন তথ্য নতুন করে অ্যাড করা অথবা আগের তথ্যটি পরিবর্তন হলে সেখানে বলে দেওয়া বা নতুন কোন রেফারেন্স এড করা এগুলোই হল মূলত কনটেন্ট আপডেটের অংশ।

 গুগোল  সব সময় আপডেটেড কনটেন্ট পছন্দ করে যা রেংকিং এর জন্য  বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এসইওর এই পার্ট টুকু আপাতত কমপ্লিট করলে মনে করা হয় আপনার আর্টিকেলটি অবশ্যই অবশ্যই   র‍্যাংক করবে। এর বাইরে ও কিছু এডভান্স লেভেলের ট্রিক্স রয়েছে কিন্তু সেগুলো আজ আর না অন্য এক লেসনে অ্যাডভান্স লেভেলের এসইও নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব।

এর বাইরে্ও যদি আপনার কিছু জানার থাকে অথবা কোন ইনফরমেশন এড করার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন আমরা চেষ্টা করব সঠিক ইনফরমেশন  দিয়ে  আপনাদেরকে হেল্প করার। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে-

Leave a Reply